Apps

Picture
 

  সাম্প্রতিক কার্যক্রম সমূহ  

বাংলাদেশ পুলিশের ইন্সপেক্টর জে...

বাংলাদেশ পুলিশের ইন্সপেক্টর জেনারেল ডঃ মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী, বিপিএম (বার) ১২/২/২০২০ তারিখ বরিশাল জেলা সফর করেন ও ‍‍বরিশাল জেলা পুলিশের ৬তলা ব্যারাক ভবন, গৌরনদী সার্কেল অফিস কাম বাসভবন, আগরপুর পুলিশ...

পুলিশ সুপার মহোদয়ের মাস্টার প্...

ফেব্রুয়ারি ২০২০ খ্রিঃ তারিখ বরিশাল জেলা পুলিশ লাইন্স মাঠে অফিসার

স্টুডেন্ট কমিউনিটি পুলিশিং সভা...

স্টুডেন্ট কমিউনিটি পুলিশিং সভায় রেঞ্জ ডিআইজি মহোদয়ের ও পুলিশ সুপারের যোগদান....

বরিশাল...

কমিউনিটি পুলিশিং ও ওপেন হাউজ-ড...

কমিউনিটি পুলিশিং ও ওপেন হাউজ-ডে সভায় রেঞ্জ ডিআইজি মহোদয়ের ও পুলিশ সুপারের যোগদান....

বরিশাল...

  পুলিশ সুপার মহোদয় সম্পর্কিত  

Picture

Superintendent of Police

জনাব মোঃ সাইফুল ইসলাম, বিপিএম (বার), পুলিশ সুপার, বরিশাল

১৯৮৫ সালে বরিশাল পুলিশ সুপারের কার্যালয় এর কার্যক্রম শুরু হয়। এটি একটি পুরাতন ভবন চুন সুড়কির গাথুনি।২৮ শতাংশ জমির উপর নির্মিত। ভবনটি দক্ষিন মূখী। অত্র জেলার অধীনে ৫টি সার্কেল যথাক্রমে ( বাকেরগঞ্জ, গৌরনদী, উজিরপুর, মুলাদী মেহেন্দিগঞ্জ ) ১০টি থানা যথাক্রমে ( বাকেরগঞ্জ, বাবুগঞ্জ, উজিরপুর, বানারীপাড়া, গৌরনদী, আগৈলঝাড়া, মুলাদী, হিজলা মেহেন্দিগঞ্জ কাজিরহাট থানা ) ৩টি পুলিশ ফাঁড়ি যথাক্রমে ( আগরপুর পুলিশ ফাঁড়ি, শেওড়াশরীয়তখালী পুলিশ ফাঁড়ি, বোয়ালিয়াপুলিশ ফাঁড়ি ) ৩টি তদন্ত কেন্দ্র ( সরষী তদন্ত কেন্দ্র, লবনসাড়া তদন্ত কেন্দ্র, সরীকল তদন্ত কেন্দ্র ) ১০ অস্থায়ী পুলিশ ক্যাম্প রয়েছে- ( মুজিয়া পুলিশ ক্যাম্প, ধামুড়া পুলিশ ক্যাম্প, শিকারপুর পুলিশ ক্যাম্প, মাটিয়ালা পুলিশ ক্যাম্প, চরামদ্দি পুলিশ ক্যাম্প, রতনপুর পুলিশ ক্যাম্প, শ্রীপুর পুলিশ ক্যাম্প, ঠাকুর মল্লিক পুলিশ ক্যাম্প, শফিপুর পুলিশ ক্যাম্প, বাকেরদা পুলিশ ক্যাম্প ) রয়েছে। ভবনটি ফজলুল হক এভিনিউ রোডস্থ, ফায়ার সার্ভিসের পশ্চিম পার্শ্বে এবং সিটি কর্পোরেশনের ভবনের পূর্ব পার্শ্বে প্রধান ডাকঘর এর সম্মুখে। পুলিশ সুপারের কাযালয় বরিশাল

মোবাইল: ০১৩২০১৫১১০০ ফোন : ০৪৩১-৬২১২৩,ফ্যাক্স : ০৪৩১- ৬৪১৫২

Mission

Bangladesh Police is committed to enforce law, maintain social order, reduce fear of crime,enhance public safety and ensure internal security with the active support of the community.

Vision

To provide quality service by competent, efficient and dedicated professionals enjoying trust and respect of citizens to make Bangladesh a better and safer place to live.

  বরিশাল জেলার ইতিহাস  

Picture

ধান- নদী -খাল এই তিনে বরিশাল' খ্যাত বরিশাল বিভাগের ঐতিহাসিক গুরুত্ব অপরিসীম। দক্ষিণ-পূর্ব বাংলায় মুসলিম আধিপত্য বিস্তারকালে রাজা দনুজ মর্দন কর্তৃক চন্দ্রদ্বীপ' নামে এ স্বাধীন রাজ্যটি প্রতিষ্ঠিত হয়। চতুর্দশ শতাব্দী পর্যন্ত এ অঞ্চল চন্দ্রদ্বীপ নামে প্রসিদ্ধি লাভ করে। এ রাজ্য প্রতিষ্ঠার পূর্বে এ অঞ্চল ‘বাকলা' নামে পরিচিত ছিল। বাকলা' অর্থ শস্য ব্যবসায়ী যা আরবী শব্দ থেকে আগত। জনৈক ড. কানুনগো নামীয় এক ব্যক্তি বাকলা বন্দর নির্মাণ করেন। এ সামুদ্রিক বন্দরে আরব ও পারস্যের বণিকরা বাণিজ্য করতে আসতেন। অতি প্রাচীন বৈদেশিক মানচিত্রে বাকলা-চন্দ্রদ্বীপ নাম বড় অক্ষরে অঙ্কিত দেখা যায়। ১৭৯৬ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত এ জেলা বাকলা-চন্দ্রদ্বীপ নামে পরিচিত ছিল। ১৭৯৭ খ্রিস্টাব্দে ঢাকা জেলার দক্ষিণাঞ্চল নিয়ে বাকেরগঞ্জ জেলা প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৮০১ সালে জেলার সদর দপ্তর বাকেরগঞ্জ জেলাকে বরিশালে (গিরদেবন্দর) স্থানান্তরিত করা হয়। ১৮১২ সালে এ জেলায় ১৫ টি থানা ছিল। বরিশালের নামকরণ সম্পর্কে অনেক মতভেদ আছে। বড় বড় শাল গাছের কারণে (বড়+শাল)= বরিশাল; পর্তুগীজ বেরী ও শেলীর প্রেম কাহিনীর জন্য বরিশাল; বড় বড় লবণের গোলার জন্য বরিশাল ইত্যাদি। গিরদে বন্দরে (গ্রেট বন্দর) ঢাকার নবাবদের বড় বড় লবণের চৌকি ছিল। এ জেলার লবণের বড় বড় চৌকি ও লবণের বড় বড় দানার জন্য ইংরেজ ও পর্তুগীজ বণিকরা এ অঞ্চলকে ‘বরিসল্ট' বলত। এ বরিসল্ট পরিবর্তিত হয়ে বরিশাল হয়েছে বলে অনেকের ধারণা। বরিশালের ঐতিহাসিক গুরুত্ব অনুধাবন করে তদানীন্তন বৃটিশ সরকার ১৯১৩-১৪ খ্রিস্টাব্দে বেঙ্গল ডিস্ট্রিক্ট অ্যাডমিনিস্ট্রেশন রিপোর্টে ফরিদপুর ও খুলনা জেলাসহ বরিশাল বিভাগ প্রতিষ্ঠার সুপারিশ করেন। পরবর্তীতে বিভিন্ন রাজনৈতিক কারণে বাস্তবায়ন সম্ভব হয়নি। অবশেষে ফরিদপুর ও খুলনা জেলা বাদ দিয়ে ১৯৯৩ সালের ১ জানুয়ারি প্রাচীন চন্দ্রদ্বীপ রাজ্য, বৃহত্তর বাকেরগঞ্জ জেলা নিয়ে বরিশাল বিভাগ প্রতিষ্ঠিত হয়। সর্বশেষ আদমশুমারি (২০০১) : অনুযায়ী বরিশাল বিভাগের বর্তমান জনসংখ্যা ৮১,১২,৪৩৫ জন এবং প্রতি কিলোমিটারে জন সংখ্যার ঘনত্ব ৬৩২। এ অঞ্চল ১৮০০ সাল পর্যন্ত হিন্দু অধ্যুষিত ছিল। পরবর্তীতে বিভিন্ন এলাকা থেকে মুসলমানদের আগমন, ধর্মান্তরিত কিছু মুসলমান এবং হিন্দুদের ব্যাপক হারে দেশ ত্যাগের ফলে মুসলমানদের সংখ্যাধিক্য ঘটে। তাছাড়া নিম্নবর্ণের হিন্দু থেকে ধর্মান্তরিত খৃস্টান সম্প্রদায়ের প্রায় ৫ হাজার জনগোষ্ঠী এ বিভাগে বসবাস করছে। এ অঞ্চলের অধিবাসীগণ এক ঐতিহ্যবাহী মানব গোষ্ঠীর বংশধর। বরিশালের কালেক্টর ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট হেনরী বেভারিজ ১৮৭৬ সনেতার The District of Bakerganj- It's History and Statistics গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন, বাকেরগঞ্জের অধিবাসী বাঙ্গালী চরিত্রের খাঁটি নিদর্শন'। এছাড়া বরিশালের ইতিহাস গ্রন্থে সিরাজ উদ্দিন আহমেদ বলেছেন বাঙ্গালী জাতির আদিবাস স্থান ছিল চন্দ্রদ্বীপ'। এখানকার কুলিন সমাজ বাকলা সমাজ' নামে খ্যাতছিল। ৭ম শতকে এখানে সামন্ত প্রথা প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর তালুকদার জমিদারগণ সমাজে প্রথম শ্রেণী হিসেবে বিবেচিত হতেন। দেশের অন্যান্য অঞ্চলের সাঁওতাল, গারো, হাজং, মগ ও চাকমাদের মতো বরিশাল অঞ্চলে ‘চন্দ্রভদ্র' নামে এক জাতির বাস। বাংলার শস্য ভান্ডার বরিশাল একদা ‘এগ্রিকালচারালম্যানচেস্টার' হিসেবে পরিচিতছিল। বরিশালের অর্থনীতির সাথে সম্পৃক্ত ছিল বাংলার অর্থনীতি। সুজলা-সুফলা-শস্য-শ্যামলা এ অঞ্চল প্রাচীন কাল থেকে দিয়ে এসেছে অফুরন্ত ধন-সম্পদ আর সীমাহীন প্রাচুর্য। প্রাচীনকাল থেকে পলি গঠিত উর্বর এ অঞ্চল ছিল কৃষির জন্য উৎকৃষ্ট এবং বসবাসের জন্য উত্তম। কৃষিই ছিল এদেশের অর্থনীতির মূল উৎস।পর্যটকরা লফফিস ১৫৮০ সালে বাকলা কে অত্যন্ত সম্পদশালী আখ্যায়িত করে এখানকার প্রচুর চাল, কার্পাস, রেশম বস্ত্র ও সুবৃহৎ ঘরের কথা উল্লেখ করেছেন। এ কারণেই প্রাচীনকাল থেকে এ অঞ্চল বিশ্বের অন্যান্য অঞ্চলের জনগোষ্ঠীকে আকর্ষণ করে আসছে। প্রাচুর্যেরদেশ বাকলায় সাগরপথে আরব বণিকগণ বাণিজ্য করতে আসতেন। আজকের মধ্য প্রাচ্যের ন্যায় সেকালে এভূ-খন্ডটি ছিল বিশ্ববাসীর অন্যতম লোভনীয় অঞ্চল। বরিশাল অঞ্চলের জনগণ সত্যিকার অর্থে আরামপ্রিয় ও ভোজনবিলাসী। পারিবারিকভাবে এরা খুবই ঘনিষ্ঠ ও আন্তরিক। তেলে-ঝালে রকমারী সুস্বাদু খাবারের পরে একটা মিষ্টান্ন ছাড়া তাদের তৃপ্তি আসেনা। এখানে খেজুরের রস, গুড়, নারিকেল, দুগ্ধছানার তৈরি পিঠার প্রকার শ'-এর কাছাকাছি।কবি ঈশ্বরগুপ্ত বরিশালে বেড়াতে এসে লিখেছেন ‘এখানে খাদ্য সুখের কথা বর্ণনা করা যায় না।এখান কারমতো উত্তম চাউল বোধ করি বঙ্গদেশে আর কোথাও নাই।' পাকিস্তান আমলে বরিশাল জেলায় মোট ০৬টি মহকুমা ছিল। ১৯৬৯ সালে পটুয়াখালী ও বরগুনা মহকুমার সমন্বয়ে পটুয়াখালীতে একটি জেলা গঠন করা হয়। পরবর্তীতে প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাসের ফলে ১৯৮৪ সালে বরগুনা একটি নতুন জেলা হিসেবে প্রতিষ্ঠা লাভ করে। এছাড়া, তৎকালীন বরিশাল জেলার ঝালকাঠী, পিরোজপুর ও ভোলা মহকুমাকে ও জেলায় উন্নীত করা হয়। বর্তমানে এ বিভাগে জেলার সংখ্যা মোট ০৬টি। জেলা গুলো হলো : বরিশাল, পটুয়াখালী, ভোলা, পিরোজপুর, বরগুনা ও ঝালকাঠী। বরিশাল দক্ষিণ বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ জেলা এবং বরিশাল বিভাগের সদরদপ্তর। সংক্ষেপে এর সীমা রেখা হচ্ছে উত্তরে শরীয়তপুর, মাদারীপুর ও গোপালগঞ্জ, পশ্চিমে গোপালগঞ্জ, পিরোজপুর ও ঝালকাঠি, দক্ষিণে বরগুনা ও পটুয়াখালী এবং পূর্বে ভোলা ও লক্ষ্মীপুর। কীর্তন খোলা নদীর তীরে অবস্থিত এশহরের পুরাতন নাম চন্দ্রদ্বীপ। দেশের খাদ্যশস্য ও মৎস্য উৎপাদনের অন্যতম মূল উৎস বরিশাল। একে বাংলার ভেনিস বলা হয়। বরিশাল দেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ নদীবন্দর। বাংলাদেশের সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক অঙ্গনে বরিশাল এক অসাধারণ স্থান দখল করে আছে। বাঙালির অনেক কীর্তি আর কৃতিত্বের সাথে জড়িয়ে আছে বরিশালের নাম।মহান নেতা শেরে বাংলা একে ফজলুল হক, কবি সুফিয়া কামাল, কবি জীবনানন্দ দাশ, চারণ কবি মুকুন্দদাস সহ আরো অনেক কীর্তিমান জন্ম নিয়েছেন বরিশালে। বৃটিশ বিরোধী আন্দোলন, স্বাধীনতা আন্দোলনসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক আন্দোলনে বরিশাল উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করেছে। এ জেলার প্রশাসন জেলাবাসীকে অবিরত সেবা দিয়েছে এবং জেলার পর্যটন ও কৃষিভিত্তিক শিল্পের সম্ভাব্যতা সমগ্র বিশ্বে তুলে ধরার জন্য আন্তরিক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

  বরিশাল জেলা পুলিশের ইউনিট সমুহ  

  • বাকেরগঞ্জ থানা
  • কাজিরহাট থানা
  • বাবুগঞ্জ থানা
  • আগৈলঝাড়া থানা,বরিশাল
  • বানারীপাড়া থানা
  • সদর

  গুগল ম্যাপে বরিশাল জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়

 
Copyright © 2020 Superintendent of police, Barishal. Developed by Momtaj Trading(Pvt.) Ltd.